• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]দক্ষিণ এশিয়ায় নোবেল জয়ীদের মধ্যে ডিগ্রী ও পুরস্কারে সবচেয়ে বড় ড.মুহাম্মদ ইউনূস [২]পুরস্কার অন্যের দ্বারা অহংকারি হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করে, এটি ক্ষতিকর: ড.অমর্ত্য সেন


[১]দক্ষিণ এশিয়ায় নোবেল জয়ীদের মধ্যে ডিগ্রী ও পুরস্কারে সবচেয়ে বড় ড.মুহাম্মদ ইউনূস [২]পুরস্কার অন্যের দ্বারা অহংকারি হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করে, এটি ক্ষতিকর: ড.অমর্ত্য সেন

আমাদের নতুন সময় : 26/07/2021

নিজস্ব প্রতিবেদক: [৩] ভারতের ড. অমর্ত্য সেন, অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, কৈলাস সত্যাথীর্, পাকিস্তানের প্রফেসর সালাম ও মালালা ইউসুফ জাই কেউ মোহম্মদ ইউনুসের ৩ ভাগের এক ভাগও পুরস্কার পাননি। [৪] ড. ইউনুসের সংক্ষিপ্ত জীবনি, ইউনূস সেন্টার ও উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ি নোবেল জয়ী ড. ইউনূসের পুরস্কারের সংখ্যা ১৫০টি। ২০০৬ সালে তিনি ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় থেকে সম্মানিত ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন ৯০টি। উল্লেখ্য, তিনি ২০২০ সালে অলিম্পিক লোরেল পুরস্কার পেয়েছেন। [৫] অর্থনীতিতে নোবেল জয়ি ড. অমর্ত্য সেন মোট পুরস্কার পেয়েছেন ১৪টি। সর্বশেষ তিনি ২০২১ সালে পেয়েছেন প্রিন্সেস অব এ্যাসটোরিয়াস এ্যাওয়ার্ড। বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন ৬৪টি। অমর্ত্য সেন অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৯৮ সালে। [৬] পাকিস্তানের অধ্যাপক আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। এই পুরস্কারের পর তিনি দেশি বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন মোট ৩৮টি। [৭] ভারতের কৈলাস সত্যার্থী ও পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ জাই শান্তিতে নোবেল পান ২০১৪ সালে। এর পরে মালালা ইউসুফ জাই পুরস্কার পেয়েছেন ৪০টি। আর কৈলাস সত্যার্থী পুরস্কার পেয়েছেন ২৫টি। [৮] অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, ড. বিনায়ক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে নোবেল পাওয়ার পর এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি পুরস্কার পেয়েছেন। [৯]পুরস্কার সম্পর্কে নোবেল জয়ি ড. অমর্ত সেন গত শনিবার ভারতের এনডি টিভিতে এক সাক্ষাতকারে বলেন, শুধুমাত্র নোবেল বা পুরস্কার দিয়ে কাউকে বিচার করা ভাল উপায় নয়। একক পুরস্কারের মাধ্যমে অন্যের দ্বারা অহংকারি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যা সব সময় আমাদের খালি পুরস্কার পাওয়ার মন তৈরী করে দেয়। এটি ক্ষতিকর।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]