• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » রাজনৈতিক বিবেচনার কারণেই স্বাধীনতার এতো বছর পরেও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি, বললেন মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এ হাসান


রাজনৈতিক বিবেচনার কারণেই স্বাধীনতার এতো বছর পরেও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি, বললেন মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এ হাসান

আমাদের নতুন সময় : 08/03/2019

জুয়েল খান : মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বহুলাংশে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়েছে। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই সঠিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের এতো বছর পরেও প্রকৃত তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করেন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তি যুদ্ধবিষয়ক গবেষক ড. এম এ হাসান।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত করতে হলে সবার আগে মুাক্তযোদ্ধার প্রকৃত সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে। যারা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি বাংলাদেশে এসে যুদ্ধ করেছেন কেবল তারাই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার যোগ্যতা রাখেন, বাকি যারা বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তারা কোনোভাবেই মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। তাদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি অথবা সহায়ক শক্তি বলা যেতে পারে, তবে কোনোভাবেই যোদ্ধা বলা যাবে না। সুতরাং মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞাটি পরিষ্কার নয়। তবে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণের জন্য যে পরিমাণ সৎসাহস এবং স্পষ্টতা থাকার দরকার সেটা ছিলো না। মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশে ঢোকার কিছুদিনের মধ্যেই অর্থাৎ যখণ অস্ত্র জমা দেয়ার কথা বলা হলো তখন তালিকা করার দরকার ছিলো। দেরি হওয়ার করাণে যে ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনেছেন তিনিও যোদ্ধা হয়েছেন, যিনি পতাকা উড়িয়েছেন তিনিও যোদ্ধা হয়েছেন, এমনও আছে যে মুক্তিযোদ্ধাদের পেছনে দৌড়িয়েছেন তিনিও মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন, যিনি রান্না করেছেন তিনিও যোদ্ধা হয়েছেন। কাজেই আবেগের বশবর্তী হয়ে যে তালিকা করা হয় সেটি ভুল হতে বাধ্য।
শুরু থেকেই নানা তদবিরকে প্রশ্রয় দেয়া হয়েছে। প্রকৃত যোদ্ধার চেয়ে মানুষের মুখের গল্প-কথাকে বেশি মূল্য দেয়া হয়েছে। যিনি একটিও গুলি ফোটাননি, শত্রুর মুখোমুখি হননি তিনি কোনোভাবেই যোদ্ধা হতে পারে না, তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা বলবো নাকি যিনি সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলবো?




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]