৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকায় প্রতি পরিবার পাবে ৮৬ কেজি চাল

আমাদের নতুন সময় : 23/05/2019

আনিস তপন : বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকার সময় উপকূলীয় ১২ জেলার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৭৮৪ জেলে পরিবার এ সময়ে বিনামূল্যে ৮৬ কেজি চাল পাবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু এ তথ্য জানান।

সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রতি বছরের মতো এবারও ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত একটানা ৬৫ দিন সব যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক মৎস্যযানের মাধ্যমে মাছ আহরণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

মৎস্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় মাছ আহরণ ব্যতীত জেলেদের আয়ের অন্য কোন উৎস্য না থাকায় মাছ ধরা বন্ধের সময় জেলেদের জীবিকা নির্বাহের লক্ষ্যে অনেক জেলেই এসময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে থাকে। তিনি বলেন, বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবারই প্রথমবার মাছ ধরা নিষিদ্ধের সময় উপকূলীয় জেলেদের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় এনে খাদ্য সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে মোট ৪২ হাজার ৭৭ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। এরমধ্যে সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন ৬ লাখ ৫৬ হাজার টন, যা দেশের মোট উৎপাদনের ১৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ এখন মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

 

একইভাবে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় ২০০০ সালের ২০ মে থেকে ১৫ এপ্রিল থেকে ৬০ দিন, মিয়ানমারে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিগত ২০ বছর যাবৎ দক্ষিণ চীন সাগরে ১৭ মে থেকে ১ আগষ্ট পর্যন্ত ৭৮ দিন, থাইল্যান্ডে আন্দামান সাগরে ১ এপ্রিল থেকে ২০ জুন মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকে বলেও জানান আশরাফ আলী খান খসরু। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কায় লবস্টার প্রজনন মৌসুমে ফেব্রুয়ারী, সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে ধরা নিষিদ্ধ থাকে। ওমানে কিংস ফিসের প্রজনন মৌসুম বিবেচনায় ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]