‘সোশ্যাল সেফটিনেট নিয়ে আমরা কাজ করছি’

আমাদের নতুন সময় : 10/06/2019

সমীরণ রায়: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশাল সোশ্যাল সেফটিনেট নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আসন্ন বাজেটেও এ বিষয়ে গুরুত্ব থাকবে। রোববার গণভবনে ত্রিদেশীয় সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্তনসম্ভবা মা, দারিদ্র্য মা, কর্মজীবী মা প্রত্যেককে আলাদা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্ত মাকে ভাতা দিচ্ছি। বিনাপয়সায় এত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বই দিচ্ছি যে অনেক দেশে ওই পরিমাণ জনসংখ্যাও নেই। প্রতিবন্ধীদের ভাতা, শিশুদের টিফিন দেওয়াসহ তার সরকারের হাতে নেওয়া নানা সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, একজন মানুষও যাতে না খেয়ে মরে এবং সে যেন কর্মবিমুখ না হয়, এ কারণে ভাতার পরিমাণ এমন হবে যাতে সে ভাতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। তাকে কিছু না কিছু কাজ করতে হবে। কাজেই কর্মবিমুখ যেন না হয় সেটাকে মাথায় রেখে ভাতা নির্ধারণ করা হয়।
পৃথিবী ইতিহাসে প্রথম কল্যাণ বাজেট দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তারা শিশু দারিদ্র্য, গার্হস্থ্য, সহিংসতা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। আসন্ন বাজেটে আমাদের তেমন কল্যাণমূলক কিছু থাকবে কিনা বা কী কী বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে?
এ প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুই (নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশ) দেশের আকার, জনসংখ্যা ইত্যাদির তুলনা করতে হবে। বাংলাদেশ ছোট একটি দেশ, অথচ মানুষ ১৬ কোটি।
তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ডের মতো প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ দেশে যদি ১৬ কোটি মানুষ বসিয়ে দেওয়া হয়, তারা কতটুকু কী করতে পারবে? এই প্রশ্নটা কেউ করে না, কিন্তু করা উচিত। আর তুলনা করলে সেটাও করা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুমৃত্যু হার, মাতৃমৃত্যু হার কমিয়েছি। দারিদ্র্য কমিয়েছি। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছি। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]unshomoy.com