দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকাময় অধ্যায়েরবড় সাক্ষী আনা ফ্রাঙ্কের জন্মদিন আজ

আমাদের নতুন সময় : 12/06/2019

বাবলু ভট্টাচার্য : আনা ফ্রাঙ্ক হলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকাময় অধ্যায়ের অনেক বড় একজন সাক্ষী। তিনি ১৯২৯ সালের আজকের দিনে (১২ জুন) জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা-মার কনিষ্ঠ সন্তান আনার একজন বড় বোন ছিলো। জার্মানিতে নাজি বাহিনী ক্ষমতায় আসার পর দেশ থেকে ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের বিতাড়িত করে। আনার পরিবারও ১৯৪১ সালে নেদারল্যান্ডস পাড়ি জমান ও তাদের জার্মান জাতীয় পরিচয় বাতিল করা হয। যুদ্ধের ভয়াবহ সেই মুহূর্তে লুকিয়ে থাকতে হয় আনা ও তার পরিবারকে। ১৬ বছর বয়সে আমস্টারডামে বাবার অফিসে দুই বছর লুকিয়ে থাকাকালে নাৎসি সৈন্যদের হাতে আটক হন আনা ও তার বড় বোন। এর পর তাদের বার্গেন বেলজান কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে সতেরো বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সেই ভয়াল দিনগুলোর ঘটনা আনা তার ডায়েরিতে টুকে রাখতেন। যেখানে মৃত্যুপরোয়ানা মাথায় রাখা এক কিশোরীর জীবনদর্শনের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। যুদ্ধ শেষে তার পরিবারের একমাত্র বেঁচে থাকা ব্যক্তি বাবা অটো ফ্রাঙ্ক আমস্টারডামে ফিরে আসেন এবং আনার দিনলিপিটি (ডায়েরি) খুঁজে বের করেন। তার প্রচেষ্টাতেই দিনলিপিটি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূল ওলন্দাজ ভাষা থেকে পরবর্তীকালে ১৯৫২ সালে প্রথমবারের মতো ইংরেজিতে অনুদিত হয়। এর ইংরেজি নাম হয় ‘দ্য ডায়েরি অফ আ ইয়াং গার্ল’। এটি বিশ্বের ৭০টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। আনা ফ্রাঙ্ক সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত এক নাম। আনা ফ্রাঙ্কের লেখা ডায়েরি প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।  লেখক : চলচ্চিত্র গবেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]