• প্রচ্ছদ » আমাদের বিশ্ব » নৌ-করিডর পেতে মেঘনা ও গোমতি নদীকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর


নৌ-করিডর পেতে মেঘনা ও গোমতি নদীকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর

আমাদের নতুন সময় : 15/06/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একটি নতুন জলপথ তৈরীর পরিকল্পনা করছেন। এটি বাস্তবায়িত হলে ত্রিপুরার গোমতি ও বাংলাদেশের মেঘনা নদী সংযুক্ত হবে। ত্রিপুরার এক জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে ত্রিপুরার পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থাই পাল্টে যাবে। ত্রিপুরা ইনফোওয়ে। ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথটি বাংলাদেশের আশুগঞ্জ নদীবন্দরে শুরু হবে। এর আগেও ত্রিপুরার পালটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর সময় সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য এই বন্দর ব্যবহার করে ভারত। এছাড়াও কয়েক বছর আগে ভুমিধ্বসে ভারতের অভ্যন্তরীণ পথ বন্ধ হওয়ায় এই বন্দর দিয়েই আপাতকালীন পণ্য পরিবহন করে ভারত। বর্তমানেও ত্রিপুরার সঙ্গে যোগাযোগে বাংলাদেশের নৌ করিডর পায় ভারত। এজন্য পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া এবং বাংলাদেশের দাউদকান্দি বন্দর ব্যবহৃত হয়। দাউদকান্দি ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলার শ্রীমন্তপুর এলাকা থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তবে মেঘনার সঙ্গে গোমতি যুক্ত হলে পন্য সরাসরি ত্রিপুরায় পৌঁছে যাবে। লোকসভা নির্বঅচনের ঠিক আগে ভারতের জাহাজ চলাচল মন্ত্রনালয় এর একটি টেকনিক্যাল কমিটি শ্রীসন্তপুর এলাকা পরিদর্শন করে। জানা গেছে এই কমিটি এই প্রকল্পের বিষয়ে সবুজ সংকেত প্রদান করেছে।
ত্রিপুরার এই কর্মকর্তা বলেন, ‘১৫ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১৩ কিলোমিটারই বাংলাদেশে খনন করতে হবে। ভারতের অংশে ছোট ও মাঝারি জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করলেই হবে।’ ১৯৪৭ সালেই তৎকালিন পূর্ববঙ্গের সঙ্গে ত্রিপুরার একটি জলপরিবহন চুক্তি হয়। এই চুক্তির আওতাতেই এই সংযোগ প্রকল্প নেওয়া হবে বলে জানান সেই কর্মকর্তা। সম্পাদনা : ইকবাল খান


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]


Warning: preg_match(): Unknown modifier 'n' in /home/asnotun/public_html/newsite/wp-includes/template-loader.php on line 106