মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের চেয়ে মূলধারার শিক্ষার্থীরা অধিক চরমপন্থী, ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন

আমাদের নতুন সময় : 29/06/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ২০১৫-১৭ সালের মধ্যে ৩ হাজার শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করে জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের  চেয়ে মূলধারার স্কুলে পড়–য়া শিক্ষার্থীরা অধিকতর চরমপন্থায় বিশ^াসী। ডয়েচে ভেলে। এই বিষয়ে পুলিশের উপ-সহকারী মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ডয়েচে ভেলেকে বলেন, ‘সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, শুধু মাদ্রাসাতেই জঙ্গী উৎপাদিত হয়। এটি একদম ভুল ধারণা। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে, শুধু মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকেই জঙ্গীবাদের জন্য দায়ি করা যাবে না।’ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমত রয়েছে সাধারণ শিক্ষা। এই ধারায় যেকোন ধর্মের, যে কোন শেণীর শিক্ষার্থীরা অংশ নিতেই পারে। এটিই মূলধারা। সাধারণ এই শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলাদেশে ১ লাখের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। অপর ধারাটি মাদ্রাসা। এতে শুধু মুসলিম শিশুরা পড়তে পারে। তৃতীয়টি ইংরেজি মাধ্যম। পুলিশের গবেষণায় জানা গেছে, জঙ্গীদের ৫২ শতাংশই এসেছে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা থেকে। ২২ শতাংশ আসে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল থেকে। বাকিরা মাদ্রাসা থেকে। যদিও বাংলাদেশে ২০০ এ ধরণের স্কুলের তুলনায় ২০ হাজার মাদ্রাসা রয়েছে!

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক শান্তনু মজুমদার এই বিষয়ে ডয়েচে ভেলেকে বলেন, ‘জঙ্গীবাদের জন্য আসলে শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ি করার সুযোগ নেই। যে কোন ধরণের স্কুলে পড়েই একজন মানুষ এই ধরণের মতবাদে দিক্ষিত হতে পারে। তবে আমি এখনও মনে করি সরকারকে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাস ও বই মনিটর করতেই হবে।’ এই গবেষণাটি বলছে ৮০ভাগ জঙ্গীই ইন্টারনেটের মাধ্যমে জঙ্গীবাদে দিক্ষা নিয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ জঙ্গী হয়েছে সঙ্গদোষে। পুলিশের ঐ কর্মকর্তা জানান বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার তুলনায় বেইষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাই তারা জঙ্গী হচ্ছে বেশি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]