• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » দিন বিভ্রাট কাটাতে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার করেছে বাংলা একাডেমি, এখন চলছে প্রচারণার কাজ


দিন বিভ্রাট কাটাতে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার করেছে বাংলা একাডেমি, এখন চলছে প্রচারণার কাজ

আমাদের নতুন সময় : 25/10/2019


দেবদুলাল মুন্না : ইংরেজি তারিখ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৮ ফাল্গুন। কিন্তু ইংরেজির তারিখ ধরলে প্রতিবারই বাংলা তারিখ নিয়ে বিভ্রাট হয়। কোনো বছর হয় ইংলিশ ২১ ফেব্রুয়ারির দিন বাংলা তারিখে ৯ ফাল্গুন। এ নিয়ে বাংলাদেশে বিতর্ক কম নেই। এরপর ১লা বৈশাখের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। একই বিতর্ক তৈরি হয় বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বরের বাংলা তারিখ নিয়েও। এ বার সেই বিভ্রাট কাটাতে বাংলা একাডেমি তৈরি করেছে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার। যাতে এই দিন বিভ্রাট আর না হয়। গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক ড. তপন বাগচী। তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহেই এর কাজ শেষ হয়েছে। ক্যালেন্ডার বদলের প্রক্রিয়ার জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল। এর প্রধান ছিলেন একাডেমির পরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। এখন সবাইকে জানানোর প্রক্রিয়া চলছে।’ বাংলা একাডেমির এ বাংলা ক্যালেন্ডার তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। তিনি বলেন,‘ এই দিনের বিভ্রাট দূর করতেই এই নতুন ক্যালেন্ডার করা হয়েছে।’ তবে এ ক্যালন্ডার শুধু বাংলাদেশের জন্য। ভারতের বাংলা ক্যালেন্ডার তাদের মতোই থাকবে।’ পুরনো নিয়মে ছিলো বৈশাখ থেকে ভাদ্র এই পাঁচ মাস হতো ৩১ দিনে। আর আশ্বিন থেকে চৈত্র সাত মাস হত ৩০ দিনে। তবে ইংরাজি লিপ ইয়ারে ফাল্গুন মাস ৩১ দিনে হত। নতুন নিয়মে হতে যাচ্ছে বৈশাখ থেকে আশ্বিন- প্রথম ছয় মাস ৩১ দিনে হবে। কার্তিক, অগ্রাহয়ন, পৌষ, মাঘ ও চৈত্র এই ৫ মাস হিসাব করা হবে ৩০ দিনে। আর ফাল্গুন মাস হিসাব করা হবে ২৯ দিনে। ইংরেজি লিপ ইয়ারে এক দিন বেড়ে ফাল্গুন হবে ৩০ দিনে। অর্থাৎ লিপ ইয়ারে যেমন ফেব্রুয়ারি মাসের একটি দিন বাড়ে। তেমন বাংলা ক্যালেন্ডারে বাড়বে ফাল্গুনের দিন। মোবারক হোসেন বলেন,‘এটা করা হলো বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে। নতুন ক্যালেন্ডারে আগামী ১০০ বছর মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস বংলাবর্ষের যে তারিখে ঘটেছে, ইংরেজি ক্যালেন্ডারের সঙ্গে তার হেরফের হবে না।’ এর আগেও দুবার বাংলাদেশের বাংলা ক্যালেন্ডার বদল হয়েছিল। প্রথম বদলের সময়ে নতুন ক্যালেন্ডার তৈরিতে মুখ্য উপদেষ্টা ছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। সম্পাদনা : ওমর ফারুক


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]