• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]১৪ জুলাইয়ের পর চলমান বিধিনিষেধ শিথিল হতে পারে, প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত [২]চালু হবে গণপরিবহন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট ও মার্কেট খোলার চিন্তাভাবনা [৩]ঈদের পর ফের কঠোর


[১]১৪ জুলাইয়ের পর চলমান বিধিনিষেধ শিথিল হতে পারে, প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত [২]চালু হবে গণপরিবহন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট ও মার্কেট খোলার চিন্তাভাবনা [৩]ঈদের পর ফের কঠোর

আমাদের নতুন সময় : 11/07/2021

আনিস তপন: [৪] বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ভার্চুয়াল বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, দুই সপ্তাহ সবকিছু বন্ধ থাকার কারণে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সংক্রমণ একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে এখন রয়েছে।
[৫] বৈঠকে চলমান বিধিনিষেধে শ্রমজীবী ও দরিদ্র মানুষের আয় কমে যাওয়া, খাদ্য সংকট বৃদ্ধিসহ তাদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
[৬] আসন্ন ঈদে গার্মেন্ট কারখানা কত দিন ছুটি থাকবে, মালিক পক্ষ বেতন-ভাতা কখন কিভাবে পরিশোধ করবে, ঈদের আগেপরে কতো দিন ছুটি থাকবে- এসব বিষয় নিয়ে বিজেএমইএ’র সঙ্গে আলোচনা হবে। তাছাড়া ব্যবসায়ীদের অন্যান্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে তাদের শ্রমিকদের গ্রামে আসা-যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে। কারণ ব্যবসায়ী এসব সংগঠনের আলোচনার প্রেক্ষিতে গণপরিবহন চলাচলে অনুমতি বা মার্কেট, শপিংমল খুলে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে স্বাস্থ্যঝুকির কথা চিন্তা করে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব যেমন রয়েছে তেমন আবার মানুষের জীবন-জীবিকা বিবেচনায় কিছুটা শিথিল হওয়া প্রয়োজন এই বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। [৭] গত ঈদে বিধিনিষেধ থাকলেও মানুষ মানেনি। অনেক দুর্ভোগ সহ্য করেও তারা গ্রামে গেছেন। এতে করে সংক্রমণের হারও অনেক বেড়েছে। সভায় বলা হয়, অন্তত ঈদে যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলে তবে কিছুটা হলেও মানুষের উপকার হবে।
[৮] আবার নমনীয় হলে যদি সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হয় তবে তা ভয়ের কারণ হবে। এটাও সরকারের চিন্তা-ভাবনায় রয়েছে। তাই চিন্তা করছে মধ্যপন্থা অবলম্বনের। এজন্য ঈদের আগে-পরে অন্তত ৬ থেকে ৮ দিনের জন্য গণপরিবহনসহ অন্যান্য বিষয়ে নমনীয় হতে সরকারের ভাবনায় রয়েছে।
[৯] বৈঠকে সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার মোবাইল কোর্টে ম্যাজিস্ট্রেট সংকটের কথা উল্লেখ করে আরো কিছু ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন সচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
[১০] খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন বলেন, আসন্ন ঈদে কোরবানির হাট ব্যবস্থাপনা এবং ঈদে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে করণীয় নির্ধারণসহ দরিদ্রদের খাদ্যসহ অন্যান্য সহায়তা করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
[১১] সভায় বলা হয়, খামারীরা এক লাখেরও বেশি পশু গত এক বছরে তৈরি করেছেন। এসব বিক্রি করতে না পারলে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার ব্যাবসা-বাণিজ্য নষ্ট হবে। আবার পশুর হাটের মাধ্যমে সংক্রমণ আরো বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর মিছিল শুরু হবে, এই আশঙ্কাও রয়েছে। করোনা সংক্রমণের বর্তমান গতি বিবেচনায় আরো দুই সপ্তাহ ঝুঁকি রয়েছে এই বিষয়টি বৈঠকে জানিয়েছে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটি।
[১২] খুলনা বিভাগে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সাপ্লাই, জনবল ও বেড বৃদ্ধিসহ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]