• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭ আগস্ট থেকে টিকাদান শুরু, ৫ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন চলবে, বন্ধ থাকবে শিল্প কারখানা


[১]জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭ আগস্ট থেকে টিকাদান শুরু, ৫ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন চলবে, বন্ধ থাকবে শিল্প কারখানা

আমাদের নতুন সময় : 28/07/2021

আনিস তপন: [২] মঙ্গলবার সচিবালয়ে ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধকল্পে আরোপিত বিধি-নিষেধের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও কোডিড-১৯ প্রতিরোধক টিকা প্রদান কার্যক্রম জোরদারকরণ’ শীর্ষক সভা শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, টিকাদান কেন্দ্রে যারা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে আসতে পারবেন তাদের টিকা দেওয়া হবে। টিকা আরো হাতে এলে ওয়ার্ড পর্যায়েও টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।
[৩] মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেওয়া শুরু হলে যাদের এনআইডি ও জন্মনিবন্ধন থাকবে না, তাদেরও বিশেষ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করে টিকা দেওয়া হবে।
[৪] আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে, আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে প্রতিদিন দুই লাখ ভ্যাকসিনেশন থেকে ১০ লাখে উন্নীত করতে পারবেন কিনা? ভ্যাকসিন প্রদানের ওপর নির্ভর করবে চলমান আরোপিত বিধিনিষেধ কার্যক্রম বর্ধিত হবে কিনা। বিশ্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে যেখানে ভ্যাকসিনেশন ৭০/৮০ শতাংশ কার্যকর করা হয়েছে। সেখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তাই বাংলাদেশেও যদি টিকা ৮০ শতাংশ দেওয়া যায় এবং সবাই যদি মাস্ক পরে তাহলে মোটামুটি একটা ভালো অবস্থা তৈরি হবে। [৫] স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এবার টিকা দেওয়ার বিষয়ে বেশি জোর দিচ্ছি। ইউনিয়ন পরিষদে টিকা কেন্দ্র স্থাপন করছি। সেখান ইউনিয়নের সব লোক, যারা টিকা নিতে চায় বা প্রয়োজন, তারা ওখানে টিকা নিতে পারবেন। [৬] বিধিনিষেধের মেয়াদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে চলমান বিধিনিষেধ ৫ আগস্ট পর্যন্তই চলবে। যদিও শিল্পপতিরা শিল্প-প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এখনই আমরা তাদের অনুরোধ রাখতে পারছি না।
[৭] আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, লকডাউন যাতে আরও কঠোর হয় সে বিষয়ে মাঠে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনী কাঠামোর মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্ভুদ্ধ করার বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমসহ ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বৈঠকে। কারণ নিজেরা সচেতন না হলে শুধু লকডাউন দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। [৮] জানাগেছে, করোনার টিকা দেওয়ার গতি বাড়াতে ৭ আগস্ট থেকে দেশে বিদ্যমান সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যকর করা হবে। গ্রাম পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্য অস্থায়ী টিকাদানকেন্দ্রগুলোও কাজে লাগানো হবে। দিনে সাড়ে ৮ লাখ করে প্রতি সপ্তাহে ৬০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]