[১]স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশের ৫০ বছর

আমাদের নতুন সময় : 31/07/2021

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: [২] ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথমবার প্রকাশিত হওয়া ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি। [৩] ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, আমি বিনা পারিশ্রমিকে বাংলাদেশের ডাকটিকিটের নকশা করি। [৪] প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের। এই ডাকটিকিটের মূল্য ছিল ১০ পয়সা।
[৫] দ্বিতীয় ডাকটিকিটটি ছিল ২৫ মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হত্যাকাণ্ডকে ফুটিয়ে তোলা। মূল্য ছিল ২০ পয়সা। [৬] তৃতীয় ডাকটিকেটে বোঝানো হয়েছে ৭৫ মিলিয়ন তথা সাড়ে সাত কোটি বাঙালির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা। মূল্য ছিল ৫০ পয়সা। [৭] চতুর্থ ডাকটিকিটটি মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকায় গড়া। এর মূল্য ছিল ১ টাকা। [৮] পঞ্চম ডাকটিকেটে তুলে ধরা হয়েছিল ১৯৭০ এর নির্বাচনের ফল। এর মূল্য ছিল ২ টাকা।
[৯] ষষ্ঠ ডাকটিকিটে মুক্তিযুদ্ধের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসকে বলা হয়েছিল দীর্ঘদিনের পরাধীনতা ও নিপীড়নের শিকল ভাঙা। এরর মূল্য ছিল ৩ টাকা।
[১০] সপ্তম ডাকটিকিট ছিল বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত। এর মূল্য ছিল ৫ টাকা।
[১১] অষ্টম ডাকটিকিটটি ছিল একপাশে উজ্জ্বল গোলাপি রাঙা। ২৯ জুলাই প্রথম প্রহরে ঐতিহাসিক ডাকটিকিটগুলোর নকশাকারী শিল্পী বিমান মল্লিক ফেসবুকে ডাকটিকিট দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবি প্রকাশ করেন।
[১২] তিনি লিখেন, সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশের জন্য ৮টি ডাকটিকেটের প্রথম সেট ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু সে সময় বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যরা স্বীকৃতি দেয়নি। তখন ডাকটিকিটগুলিতে লেবেল বা স্টিকার বলা হতো।
[১৩] ২০০৩ সাল থেকে পিএবই ফিলেটলিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ দিবসটি ডাকটিকিট দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ২৯ জুলাই ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রথম ডাকটিকিটগুলোর নকশাকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। আশা করি একদিন ২৯ জুলাই বিশ্ব ডাকটিকিট দিবস হিসেবে পালিত হবে।
[১৪] তথ্যসূত্র: বিমান মল্লিকের ভাষ্য নেওয়া হয়েছে এ টি এম আনোয়ারুল কাদির কর্তৃক বিমান মল্লিকের সাক্ষাৎকার থেকে।সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]