• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]আজ খুলছে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা [২]বিজিএমইএ ঢাকার বাইরে থাকা কর্মীদের ৫ তারিখের পর আসতে বললেও কাজ হয়নি [৩]গণপরিবহনশূন্য রাস্তায় শ্রমিকরা যে যেভাবে পেরেছে ফিরেছে, অনেকে গ্রামেও যাচ্ছে [৪]ফেরিঘাটে জনস্রোত, লাখো মানুষের চলাচলে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা [৫]বড়ো শহরে সংক্রমণ বাড়বে, আগস্টে ভয়াবহ টার্ন নিতে পারে করোনা পরিস্থিতি


[১]আজ খুলছে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা [২]বিজিএমইএ ঢাকার বাইরে থাকা কর্মীদের ৫ তারিখের পর আসতে বললেও কাজ হয়নি [৩]গণপরিবহনশূন্য রাস্তায় শ্রমিকরা যে যেভাবে পেরেছে ফিরেছে, অনেকে গ্রামেও যাচ্ছে [৪]ফেরিঘাটে জনস্রোত, লাখো মানুষের চলাচলে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা [৫]বড়ো শহরে সংক্রমণ বাড়বে, আগস্টে ভয়াবহ টার্ন নিতে পারে করোনা পরিস্থিতি

আমাদের নতুন সময় : 01/08/2021

শিমুল মাহমুদ: [১] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। ফলে মৃত্যু অনেক বেড়ে যেতে পারে।
[২] জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, এখন সংক্রমণ এবং মৃত্যুর যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, সেটি তিন সপ্তাহ আগের পরিস্থিতির পরিণতি। লক্ষ লক্ষ মানুষ যেভাবে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে গেছে, আবার গ্রাম ছেড়ে শহরে ফিরছে- এর প্রভাব কী, তা জানতে আরও তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। আমরা খুব সৌভাগ্যবান হবো যদি দেখি যে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমে গেছে।
[৩] কোভিড বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে শিল্প কারখানা চালুর প্রয়োজন রয়েছে। সেটা আরো ভালোভাবে করা যেতো। এখন একটা হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘোষণা দেওয়ার আগে শ্রমিকদের যাতায়ত ব্যবস্থা কী হবে, সেটা ভাবা হয়নি। [৪] আইইডিসিআর-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আলমগীর বলেন, সংক্রমণের সর্বোচ্চ চূড়ার দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকা এবং চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলোতে সংক্রমণের হার কিছুটা কম ছিলো। এখন আবরো বাড়তে শুরু করবে এবং এই প্রবণতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকবে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

শরীফ শাওন: [১]করোনা বিধিনিষেধ ৫ আগস্ট পর্যন্ত, কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্ত, ১ আগস্ট থেকে গার্মেন্টসসহ সকল রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা চলবে। শুক্রবার মুঠোফোনে কারখানার মেসেজ পেয়েই রাস্তায় নেমেছেন গ্রামে চলে যাওয়া শ্রমিকরা।
[২]তৈরী পোশাক কারখানার অধিকাংশই ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ায়। মহাসড়কে বাস নেই, ট্রাকও নেই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোটো যানবাহনে চড়েছেন। বার বার গাড়ি বদলে এবং অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে তারা ঢাকা এসেছেন। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ, নদী পার হয়েছেন ফেরিতে। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট পরিণত হয়েছিলো জনসমুদ্রে।
[৩] বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, শনিবার সকাল থেকে ১০টি ফেরি চলছে। পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। ভিড় থাকায় ফেরিতে যাত্রীদেরও পার করা হচ্ছে।
[৪] শ্রমিক আকলিমা, সুমি, মামুন ও সোহেল জানান, পরিবহন না থাকায় তিন থেকে চারগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ঢাকায় ফিরতে হয়েছে। এছাড়াও পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে এসেছেন। তারপর ফের ছোট যানবাহনে উঠেছেন।
[৭] তারা জানান, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও সিএনজিতে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হয়েছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]