• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]নাইন ইলেভেনের ঘটনায় সন্দেহভাজন যেসব সৌদি নাগরিক জড়িত ছিলেন


[১]নাইন ইলেভেনের ঘটনায় সন্দেহভাজন যেসব সৌদি নাগরিক জড়িত ছিলেন

আমাদের নতুন সময় : 13/09/2021

রাশিদুল ইসলাম : [২] যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি দূতাবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা নাইন ইলেভেনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের একজন মুসায়েদ আহমেদ আল-জারাহ। অবশ্য মুসায়েদ তার সংশ্লিষ্ট থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। ঘটনার সময় মুসায়েদ ওয়াশিংটনে সৌদি কনস্যুলেটে কর্মরত ছিলেন। ডেইলি মেইল [৩] সৌদি কূটনীতিক যে দুইজন হ্যাইজ্যাকারকে সহায়তা করেন তারা হলেন- নাওয়াম আল-হাজমি ও খালিদ আল-মিধার। তারাও সৌদি নাগরিক। টুইন টাওয়ারে হামলার দিন কয়েক আগে তারা কলেজ ছাত্র পরিচয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তারা দুজনেই আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সেভেন সেভেনে ছিলেন। [৪] ৃএই দুই হ্যাইজ্যাকার লসঅ্যাঞ্জেলসে এক সৌদি কূটনীতিকের অ্যাপার্টমেন্টে আশ্রয় নেন। তাদের জঙ্গি পুস্তক সরবরাহ করা হয়। সৌদি কনসাল জেনারেল ওই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন। [৫] মুসায়েদ আহমেদ আল-জারাহ ২০১৫ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে আবেদন জানান। এও দাবি করেন কোনো হাইজ্যাকারকে তিনি চিনতেন না। [৬] নাওয়াম আল-হাজমি ও খালিদ আল-মিধারকে আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন নাইন ইলেভেন হামলার জন্যে বাছাই করেন। ফাহাদ আল থুমাইরি আমে আরেক সৌদি নাগরিকের সংশ্লিষ্টতার কথা বলছে এফবিআই। [৭] টুইন টাওয়ারে হামলার জন্যে জিআইএ নামে একটি সশস্ত্র ইসলামি গ্রুপকে দায়ী করা হয় যার সঙ্গে সৌদি সংশ্লিষ্টতা ছিলো। জিআইএ’র মত জিএসপিসি নামে আরেকটি গ্রুপের আল কায়েদা সংশ্লিষ্টতা ছিলো। [৮] নাইন ইলেভেনের হামলায় সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওমর আল-বায়ুমি জড়িত ছিলেন বলে এফবিআই সন্দেহ করছে। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]