• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]বিদেশি কোম্পানির কাছে ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিলো রাসেলের: র‌্যাব [২]১ হাজার কোটি টাকা দেনা, ব্যাংকে আছে ৩০ লাখ


[১]বিদেশি কোম্পানির কাছে ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিলো রাসেলের: র‌্যাব [২]১ হাজার কোটি টাকা দেনা, ব্যাংকে আছে ৩০ লাখ

আমাদের নতুন সময় : 18/09/2021

মাসুদ আলম : [৩] শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল চেয়েছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ইভ্যালি একনামে চিনবে। ইভ্যালি বিক্রি করে লভ্যাংশ নিতে চেয়েছিলেন তিনি। এ পরিকল্পনা মাফিক বিভিন্ন দেশও ভ্রমণ করেন। ইভ্যালি দেউলিয়া ঘোষণার পরকল্পনা ছিলো। রাসেল জানিয়েছে তিনি বিদেশে কোনো অর্থ পাচার করেনি। গ্রাহকদের পণ্য ডেলিভারি ও টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে সন্ধিহান ছিলেন। সব মিলিয়ে রাসেলের ৭ থেকে ৮ কেটি টাকার সম্পদ রয়েছে। [৪] তিনি আরো বলেন, রাসেল ও তার স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ব্যবসায়িক অপকৌশল ছিলো, নতুন গ্রাহকের ওপর দায় চাপিয়ে পুরোনো গ্রাহক ও সরবরাহকারীর দায়ের আংশিক করে পরিশোধ করা। রাসেল পরিচিত হওয়ার জন্য বিভিন্ন চমকপদ বিজ্ঞাপন দিতেন। রাসেল জেনেশুনে নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেন। ব্যবসায়িক বিক্রি বাড়াতে গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত চাহিদা তৈরি হয় এ ধরনের পণ্যকে বেছে নেয় ইভ্যালি। এসব পণ্যের মূল্য ছাড়ের ফলে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানের বিশাল আকারে লায়াবেলিটিস তৈরি হয়।[৫] মাসিক ৫ লাখ টাকা করে ১০ লাখ টাকা বেতন নিতেন রাসেল ও তার স্ত্রী। কর্মচারিদের প্রায় ৫ কোটি টাকা বেতন দিতেন, যা বর্তমানে দেড় কোটি টাকায় নেমে এসেছে। ইভ্যালির গ্রাহক সংখ্যা ৪৪ লাখেরও বেশি। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]