[১]অভাবে এলাকা ছাড়ছেন হাওরবাসী,সুনামগঞ্জের ডিসি বললেন,বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে

আমাদের নতুন সময় : 19/09/2021

মিনহাজুল আবেদীন: [২] সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা নূর মদিনা বেগম জানান, তার ছোট ছেলে মো. ইজাজুল ঢাকায় কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি গার্মেন্টসে কাজও পেয়েছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান তার ছেলে। নতুন চাকরি, বাড়ি এলে তা থাকবে না। এজন্য বাড়ি আসেননি ছেলে ইজাজুল। পরে তিনি মারা যান।
[৩] নূর মদিনার গ্রাম জয়পুর ছাড়াও গোলাবাড়ি, জয়পুর, ছিলাইন তাহিরপুর, রনচি, মন্দিআতা টাঙ্গুয়ার হাওর সংলগ্ন গ্রাম। এসব গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই হতদরিদ্র। উত্তরাধিকার সূত্রে তারা হাওরে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) হাওর সংরক্ষণে আসার পর বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না করে তাদের জীবিকার পথ মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের জাল, নৌকাসহ মাছধরার যন্ত্রপাতি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। [৪] এরপরই গ্রামগুলোতে বিপর্যয় নামে। তবে হাওর ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে একটি মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠী গোপনে মাছ ধরা শুরু করে। এ গোষ্ঠীর কারণেই এখন হাওরের পরিবেশ আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। [৫] অপেক্ষাকৃত ধনী পর্যটকদের অনেকেই হাওর অঞ্চলে জায়গা-জমি কিনে ব্যবসা শুরু করেছেন। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য তারা তৈরি করেছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক নৌকা। অন্যদিকে তখন দরিদ্র হাওরবাসীদের অবস্থা করুণ। জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ পাচ্ছেন না তারা।
[৬] ৯৭ দশমিক ২৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের টাঙ্গুয়ার হাওরটি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও ধরমপাশা উপজেলার ছোট বড় ৮৮টি গ্রাম নিয়ে বিস্তৃত। এসব গ্রামের ৮০ হাজার জনসংখ্যার ৩০ ভাগ মৎস্যজীবী, ৬০ ভাগ কৃষিজীবী এবং ১০ ভাগ মানুষ অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত। [৭] সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বললেন, ‘হাওর এক ফসলি এলাকা। বর্ষায় কোনো কাজ থাকে না। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]