• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]জার্মানির অহংকার ব্রান্ডেনবার্গ গেইট, ২৩০ বছর বয়সী এই নিওক্লাসিকাল স্থাপত্য বিশ্ব ইতিহাস-ঐতিহ্যের উজ্জ্বল অধ্যায়


[১]জার্মানির অহংকার ব্রান্ডেনবার্গ গেইট, ২৩০ বছর বয়সী এই নিওক্লাসিকাল স্থাপত্য বিশ্ব ইতিহাস-ঐতিহ্যের উজ্জ্বল অধ্যায়

আমাদের নতুন সময় : 22/09/2021

সালেহ্ বিপ্লব: [২] বার্লিন শহরের সুবিখ্যাত এই স্থাপত্য তৈরি করা হয় প্রুশিয়ার রাজা দ্বিতীয় ফ্রেডরিক উইলিয়ামের নির্দেশে। ১৭৮৮ সালে নির্মাণ শুরু, উদ্বোধন হয় ১৭৯১ সালের ৬ আগস্ট। এক সময় এটি ছিলো নগরীর প্রবেশদ্বার। হিস্টোরি হিট ডটকম, উইকিপিডিয়া
[৩] ১৭৯৩ সালে গেইটের মাথায় মুকুট হিসেবে স্থান পায় একটি ‘কোয়াড্রিগা’ মূর্তি। কোয়াড্রিগা মানে চার ঘোড়ায় টানা একটি রথ। [৪] ১৮০৬ সালে বার্লিন দখলের পর নেপোলিয়ন এই কোয়াড্রিগা মূর্তিটিকে প্যারিস নিয়ে যান, যুদ্ধে বিজয়ের স্মারক হিসেবে তিনি এটি রেখে দেন। ১৮১৪ সালের ১১ এপ্রিল সম্রাট নেপোলিয়ন ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর ‘কোয়াড্রিগা’ মূর্তি আবার ফিরে যায় ব্রান্ডেনবার্গ গেইটে। [৫] নাৎসী বাহিনী ব্রান্ডেনবার্গ গেইটকে তাদের দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতো। দুই জার্মানির মধ্যে শীতল যুদ্ধের স্মৃতিও বহন করছে এই গেইট। [৬] ১৯৬১ সালে নির্মিত বার্লিন প্রাচীরের ভেতরে নো-ম্যানস ল্যান্ডে ছিলো ব্রান্ডেনবার্গ গেইটের অবস্থান, সেই প্রাচীর ভেঙ্গেছে ১৯৮৯ সালে। আর এই ২৮ বছর ব্রান্ডেনবার্গ গেইট ছিলো রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের প্রাণকেন্দ্র । বিদেশি অতিথিরাও যেতেন সেখানে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬৩ সালে এবং রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৭ সালে ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি পরিদর্শন করেন। [৭] দুই জার্মানি এক হওয়ার পর ব্রান্ডেনবার্গ গেইট খুলে দেওয়া হয় ১৯৮৯ সালের ২২ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে জার্মানির ঐক্যের প্রতীক এই ঐতিহাসিক স্থাপত্য। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]