• প্রচ্ছদ » » [১]রাজশাহীর পুঠিয়ার নদীর তীরে তৈরি ইকোপার্ক পরিত্যক্ত


[১]রাজশাহীর পুঠিয়ার নদীর তীরে তৈরি ইকোপার্ক পরিত্যক্ত

আমাদের নতুন সময় : 26/09/2021

আবু হাসাদ: [২] নন্দনপুরে সন্ধ্যা নদীর তীরে নির্মিত ইকোপার্কটি মাত্র চার বছরেই পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। [৩] স্থানীয়দের অভিযোগ, পার্ক নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করার কারণে পার্কটির অবকাঠামো বেশি দিন টেকসই হয়নি। [৪] ভূ-উপরিস্থ সেচ কর্মসূচি প্রকল্পের অর্থায়নে কাজটি বাস্তবায়ন করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এই কাজে ব্যয় করা হয় প্রায় দেড় কোটি টাকা। নির্মাণকাজ শেষে গত ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ইকোপার্কটি উদ্বোধন করা হয়। [৫] শনিবার সকালে উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের নন্দনপুর ইকোপার্ক ঘুরে দেখা গেছে, পরিচ্ছন্নতার অভাবে পার্কের পুরো এলাকা ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়ে গেছে। [৬] ক্রসড্যামের ওপরে দর্শনার্থীদের চলাচলে নির্মিত ছোট সেতুটি ঠিক আছে। তবে শিশুদের বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী জরাজীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। [৭] ইকোপার্ক এলাকায় স্থাপিত চারটি সোলার বাতিও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে আছে। সেই সঙ্গে দর্শনার্থীদের নদীতে ঘুরে বেড়ানোর কাজে ব্যবহারকৃত নৌকাটিও মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। [৮] পার্ক এলাকার পুরো নদী আগাছায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। কচুরিপানায় ভরে আছে ইকোপার্কের নদী এবং উল্টে পড়ে আছে দর্শণার্থীদের ব্যবহারের নৌকা। পার্ক উদ্বোধনের পর শুরুর দিকে কিছু লোকজন এলেও গত দুই বছর ধরে এখানে আর কেউ আসে না। এখন পুরো পার্ক এলাকা পরিত্যক্ত। [৯] সাবেক পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা বলেন, সন্ধ্যা নদী খনন ও স্থানীয় চাষিদের সেচ সুবিধার্থে এখানে তিনটি ক্রসড্যাম এবং একটি বড় পরিসরে ইকোপার্ক নির্মাণকাজ হাতে নেওয়া হয়েছিল। পরে অর্থ সংকটের কারণে নদীতে মাত্র একটি ক্রসড্যাম ও তীরে ছোট পরিসরে ইকোপার্ক নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে এই কাজের আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। [১০] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাস্মদ আনাছ বলেন, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ সময় মানুষ প্রায় বদ্ধ জীবনযাপন করেছেন। এখন পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণে। পরিবার নিয়ে অনেকেই বেড়াতে বের হচ্ছেন। শুনেছি নন্দনপুর ইকোপার্কটি নানা জটিলতার কারণে কিছুটা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বরাদ্দ পেলে খুব দ্রুত পার্কের সংস্কার কাজ শুরু করব। তবে নদী থেকে সেচের পানি তুলতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। সম্পাদনা: সোনিয়া আক্তার

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]