‘রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করো’

আমাদের নতুন সময় : 20/10/2021

রেজা ঘটক : বাংলাদেশে এবারের দুর্গাপূজায় সবচেয়ে বেশি প্রতিমা-মন্দির ভাঙচুর হলেও গণমাধ্যম নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। গণমাধ্যম একধরনের স্বেচ্ছা সেন্সরশিপ নিয়ে সত্য উন্মোচনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একটি রাষ্ট্রে গণমাধ্যম যখন সত্য উচ্চারণে ভীতসন্ত্রস্ত থাকে, বুঝতে হবে সেই রাষ্ট্রের সংকট অনেক গভীরে! সত্য গোপন করে সম্প্রীতি রক্ষা হয় না! গণাধ্যমের মতো দেশের প্রশাসনও একধরনের ধরি মাছ না ছুঁই পানি টাইপের দায়সারা দায়িত্ব পালন করেছে। সারাবছর দেশে প্রতিমা-মন্দির ভাঙচুর চলে, দুর্গাপূজার সময় সেটা প্রকট আকার ধারণ করে। ‘৪৭-এর দেশভাগের পর থেকে এই চিত্রের ক্রমশ অবনতি ঘটেছে। কিন্তু সরকার বাহাদুর নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে নানা কিসিমের অজুহাত ও খোঁড়া যুক্তির সাহায্যে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টায় ব্যস্ত!
প্রথম প্রশ্ন দুর্গাপূজার সময় সারাদেশে এ ধরনের সহিংস ঘটনা প্রতিবছর ঘটার পরেও প্রশাসন কেন আগেভাগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি? ঘটনা ঘটানোর পর সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন করার অর্থ হলো ঘটনা ঘটতে একধরনের প্রচ্ছন্ন সুযোগ দেওয়া। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সরকার সেই কল নিয়ে রীতিমতো রাজনীতি করছে! বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তির বছরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ভয়াল চিত্র প্রকাশিত, তা এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রের সঙ্গে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম তুলে দিতে হবে। না হলে এই রাষ্ট্রে এই হিংসা-বিদ্বেষ, এই নারকীয় নিপীড়ন চর্চা কোনোদিন বন্ধ করা যাবে না। রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে হবে! না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা যাবে না! জবুধ এযধঃড়শ-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ুন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]