• প্রচ্ছদ » » কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীনের জন্মদিন আজ, রংপুর ও কোচবিহার অঞ্চলের ভাওয়াইয়া গেয়ে প্রথম সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি


কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীনের জন্মদিন আজ, রংপুর ও কোচবিহার অঞ্চলের ভাওয়াইয়া গেয়ে প্রথম সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি

আমাদের নতুন সময় : 27/10/2021

আমিরুল ইসলাম : ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদ ১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ মহকুমার বলরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আব্বাসউদ্দীনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় বলরামপুর স্কুলে। ১৯২১ সালে কোচবিহার কলেজ থেকে আইএ পাস করলেও বিএ পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি তিনি। পরে তিনি সংগীতজগতে প্রবেশ করেন। কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আব্বাসউদ্দীনের পরিচিতি দেশজোড়া। আধুনিক গান, স্বদেশি গান, ইসলামী গান, পল্লীগীতি, উর্দুগান তিনি গেয়েছেন। তবে পল্লীগীতিতে তাঁর মৌলিকতা ও সাফল্য সবচেয়ে বেশি। গানে তাঁর ছিলো না কোনো ওস্তাদের তালিম। পরে কিছুদিন ওস্তাদ জমিরউদ্দীন খাঁর কাছে উচ্চাঙ্গসংগীত শিখেছিলেন। পরে জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি, বিচ্ছেদি, দেহতত্ত্ব, মর্সিয়া, পালাগান ইত্যাদি গেয়ে জনপ্রিয় হন। তিনি তাঁর দরদভরা সুরেলা কণ্ঠে পল্লীগানের সুর যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা আজও অদ্বিতীয়। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, গোলাম মোস্তফা প্রমুখের ইসলামী ভাবধারায় রচিত গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন। আব্বাসউদ্দীন আহমেদ মোট ৪টি বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এই ৪টি সিনেমা হলো বিষ্ণুমায়া (১৯৩২), মহানিশা (১৯৩৬), একটি কথা ও ঠিকাদার (১৯৪০)। ঠিকাদার সিনেমাতে আব্বাসউদ্দীন একজন কুলির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
ধারণা করা হয় যে তিনি এর চেয়ে বেশি সংখ্যক চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও তা উল্লেখ করেননি। কারণ সেই চরিত্রগুলো তেমন উল্লেখযোগ্য ছিলো না। এসব সিনেমাতে তিনি গানও করেছিলেন। ‘আমার শিল্পী জীবনের কথা’ (১৯৬০) আব্বাসউদ্দীন রচিত একমাত্র গ্রন্থ। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি মরণোত্তর শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (১৯৮১) ভূষিত হন। ১৯৫৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। তাঁর সন্তান ফেরদৌসী রহমান ও মুস্তাফা জামান আব্বাসীও গান গেয়ে খ্যাতি লাভ করছেন




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]