• প্রচ্ছদ » » পরবর্তী প্রজন্মের ইন্টারনেট ‘মেটাভার্স’


পরবর্তী প্রজন্মের ইন্টারনেট ‘মেটাভার্স’

আমাদের নতুন সময় : 28/10/2021

বিএমএসআর আলিফ : ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ মেটাভার্সকে বলছেন, পরবর্তী প্রজন্মের ইন্টারনেট। মাইক্রোসফট টিমসের মতো প্ল্যাটফর্ম আর ফোর্টনাইট, মাইনক্রাফট, রোব্লকসের মতো ভিডিও গেমে এখনই সেই ইন্টারনেটে স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে। মেটাভার্স কী? আপনার একটি সাধারণ দিনের কথা ভাবুন। সারাদিন অফিসে একের পর এক মিটিং করলেন। এক ফাঁকে এক সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলে তার সঙ্গে সন্ধ্যায় কনসার্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করলেন। এরপর কনসার্ট শেষ করে বাসায় ফেরার পথে দোকান থেকে টি-শার্ট কিনলেন। কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে, এর সবকিছুই আপনি করলেন ঘরে বসে! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, ঘরে বসে। এটাই মেটাভার্স। কীভাবে কাজ করে? ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ মেটাভার্সকে বলছেন, পরবর্তী প্রজন্মের ইন্টারনেট। গত আগস্ট মাসে ফেসবুক ‘হরাইজন ওয়ার্করুমস’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে ‘ওকুলাস কোয়েস্ট টু’ হেডসেট ব্যবহার করে একটি অফিসের কর্মীরা ঘরে বসে ভার্চুয়ালি মিটিং করতে পারেন। ওপরের ছবিটা দেখলে কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে। আপনি যদি এতে অংশ নিতে চান তাহলে আপনার ‘ভার্চুয়াল অবতার’ তৈরি করতে হবে। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ব্যবহার করে এটা সম্ভব হবে।
এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে : মেটাভার্সের বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। তবে ব্লুমবার্গ ইন্টেলিজেন্স গত জুলাই মাসে জানিয়েছে, ২০২৪ সাল নাগাদ মেটাভার্সের বাজারমূল্য ৮০০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। মেটাভার্সের সম্ভাবনা অনুমান করে ফেসবুক, মাইক্রোসফট, এপিক গেমসের মতো কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে এই খাতে বিনিয়োগ শুরু করে দিয়েছে। তবে এটি পুরোপুরি সফল হতে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে সমন্বয় হতে হবে, যা একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে।
গেমাররা এখনই মেটাভার্সের মধ্যে আছেন : সেকেন্ড লাইফ (ছবি), ফোর্টনাইট, মাইনক্রাফট ও রোব্লকস ভিডিও গেমগুলো বিশ্বব্যাপী অনেক জনপ্রিয়। সেখানে গেমাররা একসঙ্গে কাজ করেন, একজন আরেকজনকে সহায়তা করেন, বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন এবং বাস্তব জগতের টাকা দিয়ে ভার্চুয়াল পণ্য ও সেবা কেনেন। এসব কিছুই মেটাভার্সের অংশ। এছাড়া মাইক্রোসফট টিমস ও স্লেকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোও মানুষকে মেটাভার্সের ধারণার সঙ্গে পরিচিত করে তুলছে। এনএফটি প্রযুক্তি: মেটাভার্সের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে ‘নন-ফানজিবল টোকেন’ বা এনএফটি। এ বছরের শুরুতে কয়েকটি ছবি দিয়ে তৈরি একটি কোলাজের জেপিজি ফাইল ৫৮৯ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। ইতোমধ্যে ডিজিটাল রিয়েল এস্টেট ও প্রোপার্টির এনএফটির বেচাকেনা শুরু হয়েছে। আর্ট ডিলার ‘সদবিস’ সম্প্রতি একটি ডিজিটাল রিয়েল এস্টেট কিনে সেখানে ভার্চুয়াল আর্ট শো করেছে।
ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার: এনএফটি কেনা ও এর মালিকানার হিসাব এথারিয়াম ব্লকচেইনে রাখা হচ্ছে। এটা বিটকয়েনের পর সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্স ইথারের নেটওয়ার্ক। ফলে ভবিষ্যতে মেটাভার্সের মূল অবকাঠামো হয়ে ওঠতে পারে এনএফটি ও এথারিয়াম। সূত্র : ডয়চে ভেলে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]