• প্রচ্ছদ » » লুঙ্গি ক্লাসিক ড্রেস, আজ পর্যন্ত যার ডিজাইনে কোনো আপডেট হয়নি


লুঙ্গি ক্লাসিক ড্রেস, আজ পর্যন্ত যার ডিজাইনে কোনো আপডেট হয়নি

আমাদের নতুন সময় : 28/10/2021

শোয়েব সর্বনাম

লুঙ্গি একটা ক্লাসিক ড্রেস। আজ পর্যন্ত যার ডিজাইনে কোনো আপডেট হয়নি। চারকোণা বস্ত্রখণ্ড, সেলাই করলে গোল হয়। তারপর এটার ভেতরে ঢুকে পরতে হয়। মেদভুঁড়ি কী করিরা নাভীর সামান্য নিচে গিট্টু দেয়, আর শুটকাগুলো নাভীর ওপরে। ইতর ভদ্র নির্বিশেষ এই কায়দায় হিসাব শেষ। লুঙ্গি আরামদায়ক পোশাক। অঙ্গ শীতল হয়। বাতাসে লড়ে। দেখতেও এমন খারাপ কিছু নয়। কিন্তু অনেকে বলে অশ্লীল। ভদ্রলোকেরা প্রমিত ভাষায় প্রশ্ন রাখেন, যদি খুলে যায়? তো, এই যদি খুলে যাওয়াটা আমলে নিলে হবে না। সেটা অ্যাকসিডেন্ট। বিচ্ছিন্ন ঘটনা। চিপামার্কা প্যান্টেরও তলা ফেঁসে যেতে পারে। সেই কারণে কি প্যান্ট অশ্লীল বলা যায়? বাট লুঙ্গি হাস্যকর।
সমমনাদের আড্ডার মধ্যে ক্যাজুয়াল ড্রেস হিসেবে কেউ লুঙ্গি পরে গেলে অন্যরা সেইদিকে তর্জনি নির্দেশ করে খ্যাক খ্যাক করে হাসতে থাকে। দুষ্টরা বেকায়দায় পেলে টানটুন দেয়। তখন কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। বাট তলে হাফপ্যান্ট থাকলে তেমন সমস্যা হয় না। তাছাড়া লুঙ্গিপরা লোকেদের হাইজেন সেন্স একটু কমই থাকে। নির্দ্বিধায় অন্যের লুঙ্গি ধার করে পরে ফেলে। অবস্থাপন্ন লুঙ্গিপরাদের বাড়িতে অবশ্য একটা কমন লুঙ্গি সংরক্ষিত থাকে। মেহমানদের রাত্রিযাপনকালে সেইটা বের করে দেওয়া হয়।
আমি লুঙ্গি পরি না। মহল্লার পরিচিত মেয়েরা লুঙ্গি পরা অবস্থায় দেখলে অপদস্ত করাটা কর্তব্য মনে করে। একবার বাসার সামনে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে গেছি, লুঙ্গি পরা দেখে ইমরানের ছোট বোন সুমি রিকশা থামিয়ে বলছেÑ কী, ভাইয়া কেমন আছেন। তারপরে ফিক করে হেসে দিলো। বেইজ্জতির একশেষ। পরে একদিন ইমরানের বার্থডে পার্টিতে গিয়ে দেখি সুমির বান্ধবীরা দল বেঁধে ফিসফিস করছে, জানিস, তিনি না লুঙ্গি পরেন! আমি একদমই লুঙ্গি পরি না। লুঙ্গি পরে রাতে ঘুমাইলে সকালে দেখি আমি একখানে আর লুঙ্গি আরেকখানে। শাওয়ারের টাইমে আর প্যান্ট বদলের সময় লুঙ্গি ব্যবহার করি মাত্র। নাথিং মোর। সেইদিন রিইউনিয়ন পার্টি আয়োজন করা হয়েছিলো আমাদের পুরানো হাইস্কুলে। আমি আগে আগে চলে যাওয়ার কারণে খামাখা কিছুক্ষণ স্কুলের সামনের রাস্তায় হাঁটছিলাম, সুমির সঙ্গে দেখা। তার হাজব্যান্ডের লগে পরিচিত হতে হলো। আমার পরিচয় দিতে গিয়ে সে বললো, শোয়েব ভাই, তিনি আগে লুঙ্গি পরতেন! ভাবমূর্তি বলে কিছু থাকলো না। ঝযড়ধরন ঝযড়ৎনড়হধস-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ুন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]