• প্রচ্ছদ » » স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়া আমাদের জন্য আনন্দের, সম্মান ও সম্ভাবনার, একইসঙ্গে নানা রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হবে


স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়া আমাদের জন্য আনন্দের, সম্মান ও সম্ভাবনার, একইসঙ্গে নানা রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হবে

আমাদের নতুন সময় : 27/11/2021

নাজনীন আহমেদ

বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি এখন চূড়ান্ত। এই অর্জন আমাদের জন্য যেমন আনন্দের, সম্মানের ও সম্ভাবনার, একই সঙ্গে নানা রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হবে। এ সম্পর্কে যাদের ধারণা অস্পষ্ট তাদের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই, উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে যারা অর্থনৈতিক সূচকের নানান দিকে পিছিয়ে এবং যাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দুর্বল ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, সেরূপ উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত করে। জাতীয় আয় ও মানবসম্পদের উন্নয়ন কিছু নির্দিষ্ট মাত্রার ওপরে নিতে পারলে এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা কমাতে পারলে কিছু কঠিন শর্ত পূরণ করে একটি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত উন্নয়নশীল দেশ সেই তালিকা থেকে বের হয়ে যেতে পারে। একেই বলে খউঈ মৎধফঁধঃরড়হ.
২০২৬ সালে যখন আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাবো তখন স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যবসা বাণিজ্য, মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ, অর্থ ঋণের ওপর সুদের হার, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহযোগিতায় অগ্রাধিকার ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার একটি ংসড়ড়ঃয ঃৎধহংরঃরড়হ ংঃৎধঃবমু (ঝঞঝ) করার প্রক্রিয়ায় আছে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে মিলে কাজ করছে। আমার বর্তমান কর্মপ্রতিষ্ঠান টঘউচ বাংলাদেশের জন্য একটি ঝঞঝ তৈরি করতে ঊপড়হড়সরপ জবষধঃরড়হং উরারংরড়হ (ঊজউ) এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের এই যুগান্তকারী অর্জনকে অর্থবহ ও সাধারণ মানুষের জন্য ভৎঁরঃভঁষ করার প্রক্রিয়ায় অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা সবাই মিলে সে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করবো। এ ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের অনেক দায়িত্ব আছে। আমাদের আচার-আচরণে মানব সেবায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। আমি আশাবাদী মানুষ তাই খউঈ এৎধফঁধঃরড়হকে সুযোগ হিসেবে মনে করি বেশি। (এই পোস্ট দেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে যেসব মন্তব্য এসেছে তাতে এই গ্রাজুয়েশন নিয়ে নানারকম আশা এবং হতাশা দুটাই দেখছি। এই গ্রাজুয়েশন নিয়ে কোন কোন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ মনে করেন, এক্ষেত্রে আপনার আশা কিংবা হতাশার কারণ কী? বিষয়গুলো মন্তব্যে লিখুন, প্লিজ। সেগুলোকে আমলে নিয়ে এক সপ্তাহ পরে আমি একটা ধহধষুংরং করতে চাই)। লেখক : অর্থনীতিবিদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]