• প্রচ্ছদ » » দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি খান আতার প্রয়াণ দিবস আজ, তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র জাগো হুয়া সাভেরা


দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি খান আতার প্রয়াণ দিবস আজ, তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র জাগো হুয়া সাভেরা

আমাদের নতুন সময় : 01/12/2021

আমিরুল ইসলাম : [২] দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি খান আতাউর রহমান ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র অভিনেতা, সুরকার, গীতিকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংলাপ রচয়িতা, প্রযোজক, সংগীত পরিচালক ও কাহিনিকার হিসেবেও রেখে গেছেন সাফল্যের স্বাক্ষর। খান আতা নামে বহুল পরিচিত তিনি। [৩] ১৯৫৮ সালে এ জে কারদারের ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমাতে আনিস নামে নায়ক হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। একই নামে ১৯৫৯ সালে এহতেশামের ‘এদেশ তোমার আমার’ সিনেমাতেও অভিনয় করেন। এই সিনেমাতে খান আতাউর রহমান সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকারও ছিলেন। [৪] বন্ধু জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘কাচের দেয়াল’সহ ‘সোনার ফুল’, ‘সূর্যস্নান’, ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘জোয়ার ভাটা’, ‘আপন পর’, ‘ত্রিরত্ন’, ‘সুজন সখী’, ‘মাটির মায়া’সহ অসংখ্য সিনেমাতে গীত রচনা, সংগীত, অভিনয়, কাহিনি, চিত্রনাট্য করেন। [৫] নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা (১৯৬৭) এবং জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। সুজন সখী (১৯৭৫) চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরে এখনো অনেক রাত (১৯৯৭) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। [৬] ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ সিনেমাটি নির্মাণ করেন। একই বছর ১২ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির দিনও ধার্য করা হয়। কিন্তু রাত শেষ না হতেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান সবার প্রিয় খান আতা। ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি খান আতার প্রয়াণ দিবস আজ, তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র জাগো হুয়া সাভেরা

 

আমিরুল ইসলাম : [২] দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি খান আতাউর রহমান ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র অভিনেতা, সুরকার, গীতিকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংলাপ রচয়িতা, প্রযোজক, সংগীত পরিচালক ও কাহিনিকার হিসেবেও রেখে গেছেন সাফল্যের স্বাক্ষর। খান আতা নামে বহুল পরিচিত তিনি। [৩] ১৯৫৮ সালে এ জে কারদারের ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমাতে আনিস নামে নায়ক হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। একই নামে ১৯৫৯ সালে এহতেশামের ‘এদেশ তোমার আমার’ সিনেমাতেও অভিনয় করেন। এই সিনেমাতে খান আতাউর রহমান সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকারও ছিলেন। [৪] বন্ধু জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘কাচের দেয়াল’সহ ‘সোনার ফুল’, ‘সূর্যস্নান’, ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘জোয়ার ভাটা’, ‘আপন পর’, ‘ত্রিরত্ন’, ‘সুজন সখী’, ‘মাটির মায়া’সহ অসংখ্য সিনেমাতে গীত রচনা, সংগীত, অভিনয়, কাহিনি, চিত্রনাট্য করেন। [৫] নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা (১৯৬৭) এবং জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। সুজন সখী (১৯৭৫) চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরে এখনো অনেক রাত (১৯৯৭) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। [৬] ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ সিনেমাটি নির্মাণ করেন। একই বছর ১২ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির দিনও ধার্য করা হয়। কিন্তু রাত শেষ না হতেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান সবার প্রিয় খান আতা। ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]