নিজে লেখা, নিজে প্রকাশ করা

আমাদের নতুন সময় : 01/12/2021

আফসান চৌধুরী

পিডিএফ করে আমার বই পাঠানোর প্রচেষ্টা ভীষণ সফল হয়েছে। যারা পড়তে চায় তারা অনেকেই পড়েছে। আমার জীবনের যতো বই প্রকাশিত হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া পেয়েছি এই লেখায়। ২২৫ কপির পাঠানো হয়েছে। কাগুজে হলে এই বইয়ের প্রিন্ট অর্ডার হতো ৩০০ এবং পুরোটা কোনোদিনই বিক্রি হতো না। পড়তো ক’জন কে জানে। কিন্তু পাঠকের যে রিঅ্যাকশন পাচ্ছি তা দারুণ। একটা লেখার ৩০ জন সিরিয়াস পাঠক যথেষ্ট মনে করি কারণ এসব লেখা তো জনপ্রিয় হওয়ার নয়। অতএব, আমি খুশি আর পাঠকের মধ্যে অনেক তরুণ আছে, যারা এসব পড়ে না বেশি তাই বেশি খুশি। [২] কিন্তু আরও দুইটা ঘটনা ঘটেছে যা খুবই আশাব্যঞ্জক [১] একজন আগ্রহ দেখিয়েছে প্রকাশনা সংস্থা করার এই পদ্ধতিতে। লেখক মানুস্ক্রিপ্ট তৈরি করে দেবেন, সব দেবেন মলাটসহ আর বিজ্ঞাপন। বিতরণ করবে তারা। ছাপা, বিতরণ, বইমেলা ও পয়সা কোনোটার ঝামেলা নেই। বড় লেখকরা আসবে না, কিন্তু অনেকে আসবে। সবাই তো বড় লেখক নয়। তাই আমি খুব খুশি। প্রকাশকের কাছ থেকে ফেরত নিয়ে ৩টি বই দেবো কথা দিয়েছি।
[৩] একজন ফিল্ম নির্মাতা যোগাযোগ করেছে। সে বলছে তার ফিল্মের মূল দর্শক কয়েক হাজার। কী দরকার হলো খোঁজা, ফেস্টিভল খোঁজা, অনুষ্ঠান খোঁজা ও সরাসরি ফিল্মটা পিঠিয়ে দেবে যে দেখতে চায় তার কাছে। এতে আগ্রহীদের কাছে যাওয়া যাবে। তারপর ইউটিউব তো আছেই। [৪] ছোট হলেও বিকল্প ভাবনা শুরু হয়েছে। যদি প্রকাশকের কাছ থেকে টাকা না নেওয়া থাকতো, তাদের কাছে সব বই দিতাম। নিজেই বই বানাবো, প্রকাশ করবো। নিজেই যেমন ঘর, দোর সাফ করি, রান্না করি, খাই তেমনি সব করবো। ভালো রে ভালো সবই ভালো। লেখক : গবেষক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]