লাইফের আনফেয়ারনেস

আমাদের নতুন সময় : 02/12/2021

মুরাদুল ইসলাম

এখানে অন্যায় হয়, নির্যাতনকারী স্বৈরশাসক টিকে থাকে। যেকোনো মানুষের ওপর দুর্যোগ নেমে আসে। তা সে ভালো হলেও এবং সেইটা তাকে মানতেও হয়। জামাল খাসোগির ছেলের মুহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে হাত মেলানোর ছবি আছে একটা। এই সালমানই তার বাপের বীভৎস মৃত্যুর পেছনের মাস্টারমাইন্ড। বলাবাহুল্য, তাকে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়, সৌদি থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। স্টোয়িক দার্শনিক সেনেকা ঠিক একইরকম একটি ঘটনার কথা লিখেছিলেন, যেটি ঘটেছিলো অনেক আগে। তখন রোমান সম্রাট কালিগুলা ক্ষমতায়। এই উচ্ছৃঙ্খল সম্রাট একবার এক যুবককে জেলে বন্দী করেছিলো কোনো কারণে। ছেলেটির বাবা গিয়েছিলেন পুত্রের মুক্তি প্রার্থনা নিয়ে। এতে কালিগুলা ক্রুব্ধ হয় এবং যুবকটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
যেদিন ছেলেটির মৃত্যুদণ্ড হয় ওইদিন সে আরও অনেক দাওতির সঙ্গে এই যুবকের বাপকে নিয়ে আসে। তার উদ্দেশ্য ছিলো লোকটিকে মানসিক যন্ত্রণা দেওয়া। সেনেকা লিখেন, বৃদ্ধ লোকটি এসেছিলো। তার ছেলের কবর হয়নি তখনো। সবার সামনে কোনো দুঃখবোধ না দেখিয়ে সে খেয়েছিলো। এমনভাবে মদ পান করেছিলো, যা সন্তানের জন্মদিনেও লোকে করে না। কান্না বা দুঃখের অল্প চিহ্নও ছিলো না তার মধ্যে। তার এই স্টোয়িক আচরণের কারণ কী? সেনেকার লেখায়, ‘আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করছেন লোকটি কেন এমন করেছে? উত্তর হলো, আরও একটি ছেলে ছিলো তার।’ ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]