ঘরে ফিরে যান বাবারা!

আমাদের নতুন সময় : 04/12/2021

মো. গোলাম সারোয়ার

রামপুরায় শিক্ষার্থীদের পুলিশি বাধার মুখে সরতে হয়েছে। যেকোনো আন্দোলনে একটি এক্সিট পয়েন্ট থাকে। মানে কোথায় গিয়ে থামতে হয়, তার একটি সীমা থাকে। এদেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল এই আক্কেল জ্ঞানের অভাবে দলের ভবিষ্যৎকে বিপদে ফেলেছেন। আমাদের শিক্ষার্থীরাও ঠিক এই ভুল করছেন বারবার। অনন্তকাল ধরে রাস্তা বন্ধ করে নাচানাচি করার সুযোগ নেই। ভাঙচুর করার সুযোগ তো নেইই। আন্দোলনের প্রাথমিক বিজয় নিয়ে তিনদিন আগেই ঘরে ফিরে যাওয়া যেতো। তাতে বিজয়ের একটা আমেজও থাকতো। যাওয়ার সময় সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্যে ঢাকার মতো সমান তালে হাফ পাসের আল্টিমেটামও দিয়ে যাওয়া যেতো। বলা যেতো, এই সময়ের ভেতরে এই দাবি না মানলে ‘আমরা আবারও আসবো’।
কিন্তু না, তারা ‘একটা চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া’ টাইপে রাস্তায় পড়ে রইলো। এর পরিণাম হলো, আপনি মাঠে মারা যাবেন। আন্দোলনও মাঠে মারা যাবে। রাষ্ট্র একটি বড় প্রতিষ্ঠান। এখানে অনেক বাহিনী আছে। তারা সবাই বসে বসে আঙুল চুষছে না। তাঁরা সবই পর্যবেক্ষণ করছে। নির্দেশ পেলেই তাঁরা অ্যাক্টিভ হবে। হবেই। কারণ কোনো পাগলামীই লাগাতার সহ্য করার কোনো সুযোগ নেই। মৌলবাদী আন্দোলনের এই হলো অসুবিধা যে, তারা এই ব্যাপারটা বুঝতে পারে না। আমাদের গত বারো বছরের প্রতিটি আন্দোলন দুর্ভাগ্যজনকভাবে মৌলবাদীদের খপ্পরে পড়ে ব্যর্থ হয়েছে। এবারের আন্দোলনটি ভালো ছিলো। এটিও যেন বিপদে না পড়ে। ঘরে ফিরে যান বাবারা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]