• প্রচ্ছদ » » মেধাবীরা কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে? মেধাবীরা কেন দেশে ফিরবে?


মেধাবীরা কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে? মেধাবীরা কেন দেশে ফিরবে?

আমাদের নতুন সময় : 05/12/2021

রউফুল আলম

আমেরিকার বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস প্রতিবছর একটা তালিকা বের করে ঋড়ৎনবং ৩০ ঁহফবৎ ৩০. বিভিন্ন শাখায় ত্রিশের কম বয়সী ত্রিশজন প্রতিভাবানদের তালিকা। যাদের কাজ ভবিষ্যৎকে বদলে দেবে, ভবিষ্যৎকে নতুন দিক দেবে এমন ত্রিশজনের তালিকা। সম্প্রতি প্রকাশিত তালিকার বিজ্ঞান শাখায় নাম করে নিয়েছে বাংলাদেশি একটা মেয়ে। তার নাম বাশিমা ইসলাম। নিঃসন্দেহে এটা গর্বের। অনুপ্রেরণার। অভিনন্দন। বাশিমা ইসলাম বুয়েট থেকে পাস করে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা চ্যাপলহিল থেকে পিএইচডি করেন এবং পোস্টডক্টরাল রিসার্চ করছেন ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ি আরবানা স্যাম্পেইনে (টওটঈ)। সে যথারীতি ডড়ৎপবংঃবৎ চড়ষুঃবপযহরপ ওহংঃরঃঁঃব-এ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরশিপ পেয়েছেন এবং আগামী বছর থেকে সেখানে কাজ শুরু করবেন। এই যে ত্রিশের আগেই পিএইচডি-পোস্টডক শেষ করে ইউনিভার্সিটিতে কাজ শুরু করা এটাই হলো বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কৃতি। সারা দুনিয়ার ভালো ভালো ইউনিভার্সিটিগুলোতে এভাবেই শিক্ষক নিয়োগ হয়। কিন্তু এই বাশিমা ইসলাম যদি এখন বুয়েটে শিক্ষক হতে যায়, দেখা যাবে বহু লোককে ধরতে হবে। পিএইচডি-পোস্টডক থাকলেও তাকে সরাসরি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরশিপ দেওয়া হবে কিনা, সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ।
পিএইচডি-পোস্টডক করেও তার বেতন-ভাতা হয়তো হবে একজন সরকারি অফিসারের চেয়ে কম। একজন সরকারি অফিসার গাড়ি পাবে, ড্রাইভার পাবে, কাজের লোক পাবে, কিন্তু বাশিমা ইসলাম কোনোদিন প্রফেসর হওয়ার পরও হয়তো একটা গাড়ি কিনতে পারবেন না। তিনি বুয়েটের শিক্ষক হয়েও কোনোদিন অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারবেন না। তাকে কথা বলতে হবে মেপে মেপে। দল-উপদল হিসেব করে। আর এমন হিরের টুকরো শিক্ষকের সামনে গিয়েও হুমকি দিতে সামান্যতম দ্বিধা করবে না রাজনীতির আশ্রয়-প্রশ্রয়ের বেড়ে ওঠা বহু নোংরা-নষ্ট ছাত্র। তাহলে মেধাবীরা কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে? মেধাবীরা কেন দেশে ফিরবে? আর এভাবে যদি চলতেই থাকে, তাহলে বিশ্বমানের তরুণ গড়বে কে? কাদের হাত দিয়ে এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে তৈরি করা হবে? আমরা কি ভাবী কখনো? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]