• প্রচ্ছদ » » কারও ব্যক্তিগত স্বার্থে শিল্পী সমিতিকে আর ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না : ফেরদৌস


কারও ব্যক্তিগত স্বার্থে শিল্পী সমিতিকে আর ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না : ফেরদৌস

আমাদের নতুন সময় : 16/01/2022

ইমরুল শাহেদ: শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মৌসুমী। তিনি যখন শুনলেন রিয়াজ ও ফেরদৌস ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন, তখন তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, রিয়াজ ও ফেরদৌস মাঠে আছে সেটা তিনি দেখতে চান। রিয়াজ মাঠে আছেন। ফেরদৌস শুটিংয়ের জন্য নির্বাচনী প্রচারণার দু’একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। সে ব্যাখ্যা তিনি দিয়েছেন।
নির্বাহী সদস্য কেন? ফেরদৌস বলেন, ‘যে সময় নিয়ে নির্বাচনে প্রস্তুতি নিতে হয় তা আমার হাতে ছিলো না। অনেকগুলো সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। আমি খুব একটা সময় দিতে পারবো না। ফলে শুধু শুধু বড় পদে গিয়ে লাভ নেই। আমি যে পদে কাজ করতে পারবো সেই পদেই নির্বাচন করছি। কারণ শিল্পী সমিতি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। কোনো লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়। এটা কারও ব্যবসা করার জায়গাও নয়। বর্তমানে কমিটিতে না থেকেও কিন্তু সবসময় চেষ্টা করেছি শিল্পীদের পাশে থাকতে।’
তিনি বলেন, শিল্পীদের কল্যাণের জন্য সমিতি করা হয়েছে। অথচ দেখা গেছে বর্তমান কমিটির কেউ কেউ নিজের স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করছেন, যা খুব লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা আর করতে দেওয়া হবে না। শিল্পী সমিতি আগে যে রকম ছিলো শিল্পীরা একত্র হয়ে বসবেন, গল্প করবেন, নিজেদের সুখ-দুঃখ শেয়ার করবেন, নিজেদের সমস্যার সমাধানে পথ বের করবেন। বর্তমান কমিটি আসার পর থেকে সব উল্টো হয়ে গেছে। এমনও দেখা গেছে যে, অনেক শিল্পীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভয় দেখানো হয়েছে, যা আগে কখনো হয়নি। সমিতি ব্যবহার হয়েছে ব্যক্তিস্বার্থে। এবার আমাদের প্যানেল জয়ী হলে প্রথম কাজ হবে শিল্পী সমিতির সঙ্গে অন্য যেসব সংগঠনের সমস্যা হয়েছে তাদের সঙ্গে বসে ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়া। সরকারি অনুদানের সিনেমাগুলো ঠিক সময়ে যেন মুক্তি দেওয়া যায় সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া। আমাদের অবস্থান থেকে যতোটুকু সম্ভব করা হবে।


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]