• প্রচ্ছদ » » দেশি ও বিদেশি আগ্রাসী ফ্যাসিবাদী শক্তিদের হাত থেকে জনগণের স্পেস মুক্ত করার রাজনীতি কখনোই সহজ নয়


দেশি ও বিদেশি আগ্রাসী ফ্যাসিবাদী শক্তিদের হাত থেকে জনগণের স্পেস মুক্ত করার রাজনীতি কখনোই সহজ নয়

আমাদের নতুন সময় : 16/01/2022

পারভেজ আলম

দেখেন, যারা টিএসসিতে কাওয়ালির আয়োজন করেছেন এবং যারা তাতে সমর্থন দিয়েছেন, তারা বেশ ভালোভাবেই জানতেন কী প্রবল একটা সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে তারা কাজ করছিলেন। দেশি ও বিদেশি আগ্রাসী ফ্যাসিবাদী শক্তিদের (আওয়ামী লীগ+বিজেপি) হাত থেকে জনগণের স্পেস মুক্ত করার রাজনীতি কখনোই সহজ নয়। এই কঠিনকে ভালোবেসে তারা অনেক গালিগালাজের শিকার হয়েছেন।
তো দেখেন, যারা লড়াই করে, তারা লড়াইই করে। তারা স্পেকুলেশন, থিওরি, বা ষড়যন্ত্রতত্ত্বের মধ্যে লড়াইকে রিডিউস করে না। তাদের ওই সময়ই নেই। আরা যারা ওই লড়াকু জীবন যাপন করেন না, যারা কোনো ফলদায়ক সংগ্রামে নেই, যাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ ফ্যান্টাস্টিক বা ইউটোপীয় ও ঘোলাটে, তারাই এসব প্রকৃত লড়াই নিয়ে নানান কন্সপায়রেসি তৈরিতে সময় দেয় বেশি।
বাংলাদেশে প্রকৃত ভারতবিরোধী রাজনীতিক ছিলেন ভাসানী, হাশিম, শেখ মুজিব, সোহরাওয়ার্দীরা। তারাই আমাদের পূর্ব পাকিস্তান দিয়েছেন, তাদের রাজনৈতিক সিলসিলাতেই আমরা পরে বাংলাদেশে পেয়েছি। অন্যদিকে বাংলাদেশে এমন কিছু তথাকথিত ভারতবিরোধী আছে, যারা কখনোই আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতির পক্ষে কোনো অবদান রাখেননি। ভারতের বিরুদ্ধে বা হিন্দুত্ববাদী বর্ণবাদী কালচারাল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাদের দেখাবার মতো একটা বিজয়ও নেই। যা আছে তা হলো তাদের বলদামি ও পপুলিজম, নানান রকম ষড়যন্ত্র। এর ফলে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারত ও ফাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের লাভ হয়েছে। আমি আমার পাঠকদের পরামর্শ দেবো, আমাদের ইতিহাস মাথায় রাখতে। তাহলে শত্রু-মিত্র চেনার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হবেন না। ফেসবুক থেকে


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]