• প্রচ্ছদ » » নুসরাত ফতেহ আলী খান কাওয়ালি সংগীতকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করেছেন, যা তাঁর পরিবার ৬০০ বছর যাবৎ চর্চা করে আসছে


নুসরাত ফতেহ আলী খান কাওয়ালি সংগীতকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করেছেন, যা তাঁর পরিবার ৬০০ বছর যাবৎ চর্চা করে আসছে

আমাদের নতুন সময় : 16/01/2022

সংগৃহীত : কাওয়ালি একপ্রকার আধ্যাত্মিক প্রেমবিষয়ক ভক্তিমূলক গান। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাওয়ালি জাতীয় গান থেকেই কালক্রমে খেয়াল নামক উচ্চাঙ্গ সংগীতের শ্রেণিটির উৎপত্তি হয়েছে। কাওয়ালি গান মূলত মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যেই অধিক প্রচলিত। তবে হিন্দু ধর্মীয় ‘কুম্ভমেলা’তেও এর পরিবেশনা লক্ষ্য করা যায়। পুরান ঢাকার আদিবাসীদের মধ্যে বিভিন্ন জলসা, বিবাহ ইত্যাদি অনুষ্ঠান উপলক্ষে এ গানের প্রচলন রয়েছে। বাংলা কাওয়ালি গানের শ্রোতা একসময় কেবল পুরান ঢাকা ও নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন দেশের সাধারণ তরুণরাও কাওয়ালি গানের ভক্ত হয়ে উঠেছে। কাওয়ালি গানের শিল্পীদের ‘কাওয়াল’ বলা হয়। এটি একটি ভক্তিমূলক গান যা মূলত সুফী সাধকরা নৃত্য ঢং-এ গেয়ে থাকেন। এই গানগুলো সাধারণত ফার্সি ও উর্দু ভাষায় রচিত হয়ে থাকে, তবে বাংলা ভাষায়ও কাওয়ালি গান রচিত হয়। ‘কওল’ শব্দটি থেকে কাওয়ালি শব্দটির উৎপত্তি ঘটেছে বলে মনে করা হয়। আবার অনেকের মতে, দিল্লির পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী কাওয়াল নামক যাযাবর সম্প্রদায় কর্তৃক গীত সাধারণ ভক্তিমূলক গানকে কাওয়ালি বলে চহ্নিত করা হয়।
প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ আমীর খসরু ‘কাওয়ালি’ ধারার সংগীতের প্রবর্তক বলে স্বীকৃত। তিনিই কাওয়ালি গানের সংস্কার করেন এবং এটিকে একটি প্রথাবদ্ধ রূপদান করেন. বাংলাদেশে কবি কাজী নজরুল ইসলামই এই সংগীত ধারাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এ গানের স্থায়ী ও অন্তরার মধ্যে তাল বন্ধ রেখে প্রতিবার বিভিন্ন প্রকার রাগ ব্যবহার করা হয়। একজন মূল গায়ক ও কয়েকজন সহযোগীর সমন্বয়ে গঠিত একেকটি দল কাওয়ালি পরিবেশন করে যাতে মূল গায়ক গান পরিবেশ করেন এবং সহযোগীগণ ধুয়া ধরেন। কাওয়ালি গানে যন্ত্র হিসেবে প্রধানত ঢোলক ব্যবহৃত হয় এবং সমবেতভাবে হাততালি দিয়ে এর তাল। যে সকল রাগ আধ্যাত্মিক প্রেমভাব প্রকাশ করে সেসব রাগে কাওয়ালি গাওয়া হয়। (কাওয়ালি উত্তর ভারতীয় সংগীত পদ্ধতির একটি ৮ মাত্রা বিশিষ্ট সমপদী তাল, যা ৪। নুসরাত ফতেহ আলী খান কাওয়ালি সংগীতকে সারাবিশ্বের কাছে পরিচিত করেন। যা তার পরিবার ৬০০ বছর যাবত চর্চা করে আসছে। ( অনলাইন থেকে সংগৃহীত)


সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]