প্রকাশিত: Mon, Jan 16, 2023 10:22 AM
আপডেট: Thu, Jul 23, 2026 11:55 AM

পাঠ্যপুস্তক ও প্রথম আলোর বিজনেস্ স্ট্র্যাটেজি

আজম খান

স্কুল বা বোর্ডের কোনো বইয়ে কখনো আমি তথ্যের মূলসূত্র উল্লেখ করতে দেখি নাই। এমনকি স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষায় কোনো কিছুর মূলসূত্র উল্লেখ করারও কোনো বাধ্যবাধ্যকতা নাই। প্ল্যাগারিজমের মতন ভারী ভারী শব্দের জন্ম মূলত একাডেমিয়ার জন্য। যেটা কিনা নতুন বা মৌলিক জ্ঞানের জন্ম দেয়। স্কুলের বই যারা লিখেন কিংবা যারা সেই বই পড়েন তাদের কারোই এইটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে কিনা আমি জানি না। যদি পড়তো তবে সব স্কুল বইয়ের শেষাংশে সমস্ত রেফারেন্স দেয়া থাকতো। কখনো দেখি নাই।

তবে যেকোনো পর্যায়ে রেফারেন্স দেওয়াটাকে আমি প্রশংসার দৃষ্টি থেকে দেখি। তবে সব পর্যায়ে আমি এটাকে কর্তব্য বলে মনে করি না। বিশেষত স্কুল পর্যায়ে তো অবশ্যই না। যাই হোক, এইবারের পাঠ্যপুস্তকগুলো নিয়ে বাংলাদেশের মডারেট মুসলমান থেকে শুরু করে কট্টর ইসলামিস্ট সবার আপত্তি আছে। তাদের একমাত্র ধর্ম ছাড়া সকল বিষয়ের বইয়ের অনেক কন্টেন্ট নিয়ে তাদের আপত্তি আছে দেখলাম। তাদের দাবি ঠিক সেভাবে বই লিখতে হবে যে সমস্ত ধারণা মাথায় নিয়ে তারা একদল শিক্ষিত, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কিন্তু রেশনালি চিন্তা করতে অক্ষম জন্তু বিশেষ ছাড়া কিছুই হয় নাই।

বাঙালি মডারেট মুসলমান থেকে শরীয়া শাসনের দাবিদার সবাই যেহেতু বইয়ের কন্টেন্ট নিয়ে একটু চ্যাতসে তাই প্রথম আলোও সপ্তম শ্রেণীর বইয়ে রেফারেন্স কেন নাই তা নিয়ে একটা কলাম লিখে তাদের হিটটা নিয়ে নিলো। বিজনেস্ স্ট্র্যাটেজি হিসাবে জিনিসটা প্রথম আলোর জন্য ভালো হইছে। ফেসবুক থেকে