প্রকাশিত: Tue, Dec 13, 2022 10:30 PM
আপডেট: Thu, Oct 22, 2026 3:50 AM

থেমে আছে গাড়ি!

সুমন্ত আসলাম

১ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটে মিরপুর পল্লবী থেকে ৩২ নম্বর পেরিয়ে সোবাহানবাগ এসেছি। থেমে আছে গাড়ি। বাঁ দিকে তাকিয়ে দেখি- বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, প্রায় দু যুগ আগে মাত্র ১৪ টাকার জন্য মাথায় লাল একটি মিষ্টি খেতে পারিনি এখান থেকে। আজ প্রতিশোধের পালা। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে দোকানদারকে বললাম, ‘ওই যে, লাল মাথার মিষ্টি আছে না, দুটো দিন। খাবো।’ দোকানদার মিষ্টি দিলেন, খেলাম, দাম পরিশোধ করে বাইরে এসে দেখি- গাড়ি আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, নো নড়চড়। দৌড়ে রাস্তা বিভাজনে গেলাম, লাজ ফার্মার লাগানো একটা গাছে চড়ে বসলাম। তাই দেখে মাঝবয়সী এক ভদ্রলোক তার পাজেরো থেকে নেমে বললেন, ‘ভাই, আমাকেও গাছে উঠান।’ হাত বাড়ালেন তিনি। একটু পর চল্লিশোর্ধ্ব এক মহিলাও নেমে এলেন তার গাড়ি থেকে। আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘ভাই, আমাকেও তোলেন।’ তিনজন বসে আছি ছোট-খাটো বকুল গাছটার ডালে। বেশ কিছুক্ষণ পর ভদ্রমহিলা বললেন, ‘গাড়ি তো এখনো থেমে আছে, চলছে না। একটা দড়ি আনতে পারবেন, একটা দোলনা বানাতাম এই গাছের ডালে।’ চমকে উঠলাম আমি। মহিলার গলার স্বর শুনে মনে হলো- দড়ি দিয়ে দোলনা বানাবেন না তিনি, অন্য কিছু করবেন। বকুল গাছটা কাঁপছে, আমিও। এরই মধ্যে ভদ্রলোক বলে উঠলেন, ‘একটা দড়ি আমার জন্যও আনবেন, প্লিজ’! ফেসবুক থেকে